অন্তর্বাহিনী নদী কাকে বলে? ভারতের একটি অন্তর্বাহিনী নদীর নাম কী?

অন্তর্বাহিনী নদী: যে সমস্ত নদী দেশের অভ্যন্তরের কোন উচ্চভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে দেশের সীমানা অতিক্রম না করে দেশের অভ‍্যন্তরস্থ কোন জলাধারের সঙ্গে মিলিত হয় বা স্থলভাগের মধ্যেই যাদের গতিপথ শেষ হয়ে যায়, তাদের অন্তর্বাহিনী নদী বলে।

উদাহরণ: লুনি ,ঘাঘর, রুপনগর, মেধা ইত্যাদি হল ভারতের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অন্তর্বাহিনী নদী ।এদের মধ্যে মেধা ও রূপনগর আরাবল্লী পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে সম্বর হ্রদে পড়েছে। লুনী নদী আজমীরের কাছে আনাসাগর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে কচ্ছের রানে পরেছে।

Q. ভারতের একটি অন্তর্বাহিনী নদীর নাম কী?

উত্তর: ভারতের একটি অন্তরবাহিনী নদী লুনি।

জেনে রাখো: লুনি নদীটির দৈর্ঘ্য হল ৪৫০ কিমি। এটি আরাবল্লী পর্বতের আনাসাগর হ্রদ থেকে উৎপত্তি হয়েছে, নদীটি উৎস স্থল থেকে থর মরুভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গুজরাটের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কচ্ছে রণে পতিত হয়েছে। লুনির প্রধান উপনদীগুলি হল- মুকরী, জওয়াই। নদীটির বিশেষত্ব হল: বর্ষাকাল ছাড়া অন্যসময় নদীটির অস্তিত্ব বোঝায় যায় না; আবার অনেক সময় অধিক বৃষ্টি রাজস্থান অঞ্চলে (মরুস্থলীতে) বন্যার সৃষ্টি করে।

নামের উৎপত্তি

সংস্কৃত ভাষায় এই নদীকে লবণবতী বলা হয় কারণ এই নদীর জল লবণাক্ত। লবণবতী থেকে এই নদীর নাম লুনী হয়েছে।

অববাহিকা

লুনি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন ৩৭,৩৬৩ বর্গকিলোমিটার। নদীটি রাজস্থান এর আজমির, বারমের, জলরি, জোধপুর, নাগাওর, পালি, সিরহি জেলা ও গুজরাত এর বানাসকান্থা,পাঠান জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং শেষে কচ্ছ রনে পতিত হয়েছে।নদীটিতে বর্ষার সময় জল থাকলেও অন্য সময় নদটি জলশুন্য হয়ে পরে। নদীটিতে বর্ষার মরশুমে প্রায়ই বন্যার ঘটনা ঘটে। ২০১৬ সালে এমনই একটি বন্যার ঘটনা ঘটে।

Leave a Comment