অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক জীবনী – Antonie van Leeuwenhoekl Biography in Bengali

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক জীবনী: gksolve.in আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে Antonie van Leeuwenhoekl Biography in Bengali. আপনারা যারা অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক সম্পর্কে জানতে আগ্রহী অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক এর জীবনী টি পড়ুন ও জ্ঞানভাণ্ডার বৃদ্ধি করুন।

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক কে ছিলেন? Who is Antonie van Leeuwenhoekl?

অ্যান্থনি ভন লিউয়েনহুক (২৪ অক্টোবর, ১৬৩২ – ৩০ আগস্ট, ১৭২৩) একজন ওলন্দাজ বিজ্ঞানী। তিনি প্রথম অণুবীক্ষণযন্ত্র তৈরি করেন এবং ব্যাক্টেরিয়া, স্নায়ুকোষ, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদির অত্যন্ত সঠিক বর্ণনা দেন।

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক জীবনী – Antonie van Leeuwenhoekl Biography in Bengali

নামঅ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক
জন্ম24 অক্টোবর 1632
পিতাফিলিপস আন্তোনিস ভ্যান লিউয়েনহোক
মাতামার্গারেথা
জন্মস্থানডেলফট, ডাচ প্রজাতন্ত্র
জাতীয়তাডাচ
পেশাবৈজ্ঞানিক
মৃত্যু26 আগস্ট 1723 (বয়স 90)

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক এর জন্ম: Antonie van Leeuwenhoekl’s Birthday

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক ১৬৩২ সালের ২৪ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক এর পিতামাতা ও জন্মস্থান: Antonie van Leeuwenhoekl’s Parents And Birth Place

হল্যান্ডের ডেলফট শহরের অতি সাধারণ এক পরিবারে লিউয়েন হক – এর জন্ম। সময়টা ১৬৩২ খ্রিঃ। লেখাপড়ার সঙ্গে কোন যোগাযোগ ছিল না এই পরিবারের লোকজনের। কায়িকশ্রম আর ছোটখাট ব্যবসাই সম্বল ৷ কাজেই দারিদ্র্য ছিল নিত্যসঙ্গী।

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক এর ছোটবেলা: Antonie van Leeuwenhoekl’s Childhood

অতি অল্প বয়সেই আমস্টারডামের এক মালগুদামে কাজ নিতে হয়েছিল লিউয়েন হককে। গুদামের মালপত্র দেখাশোনার কঠিন কাজে খুব বেশিদিন থাকতে পারেননি অবশ্য। ফিরে এলেন বাড়িতে। সামান্য যা সঞ্চয় হয়েছিল তা দিয়ে বাড়িতেই একটা দোকান খোলেন।

ব্যবসাটা ছিল অদ্ভুত ধরনের। সুতীকাপড়ের গুণাগুণ পরীক্ষা। পরীক্ষার কাজ হত একটা লেন্স দিয়ে। লেন্স নিয়ে নাড়াচাড়ার কাজ তখন থেকেই শুরু। নিজের চেষ্টাতেই এভাবে একদিন মেজে ঘষে মসৃণ করে লেন্সের ক্ষমতা বাড়াবার কৌশল জেনে গেলেন। এভাবেই একদিন মাথায় ঢুকল সূতীকাপড় ছাড়া আর কি কাজে লাগানো যায় লেন্সকে।

লেখাপড়া খুব সামান্যই শিখতে পেরেছিলেন নিজের চেষ্টায়। অসাধারণ বুদ্ধিবলই ছিল তার প্রধান সহায়। কাজ করার সময়ে একটা লেন্স কোনভাবে ভেঙ্গে গেলে তখুনি আর একটা নতুন লেন্স কেনার জন্য ব্যস্ত হতেন না লিউয়েন হক। নিজেই চেষ্টা করে ভাঙ্গা লেন্সকে কাজের উপযোগী করে নিতেন।

এইভাবে নাড়াচাড়া করতে করতে আপনা থেকেই লেন্সের মূল সূত্রগুলি তাঁর জানা হয়ে গেল। একসময় ধাতব ফ্রেমও বানিয়ে নিলেন লেন্সের জন্য। নিজের চেষ্টা ও চিন্তার সংযোগে সেই ১৭ শতকের মধ্যভাগেই লিউয়েন হক এমন সব শক্তিশালী লেন্স গড়েছিলেন যে তেমনটি আর কোথাও ছিল না।

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক এর কর্ম জীবন: Antonie van Leeuwenhoekl’s Work Life

নিজের তৈরি অণুবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে কেবল সূতীকাপড় পরীক্ষা নয়। শুরু করলেন অন্যধরনের পরীক্ষা – নিতান্ত কৌতূহলের বশেই। শুকনো খাবারদাবার পরীক্ষা করতে গিয়ে এক নতুন জগতের সন্ধান পেয়ে যান লিউয়েন হক। বিস্মিত হন নিজের যন্ত্রটির কার্যকারিতা দেখে। ডেলফট শহরের স্বনামধন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানী ছিলেন রেগনার দে গ্রাফ।

লিউয়েন হক তার কাছে এসে তার পর্যবেক্ষণের সব কথা জানাতেন। ভদ্রলোক নিজেও গবেষণার নানান কাজে অভ্যস্ত। তাই লিউয়েন হককে উৎসাহিত করেন। অশিক্ষিত জেনেও তার সঙ্গে মহা উৎসাহে নিজের গবেষণার বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। গ্রাফ বুঝতে পারেন অসাধারণ প্রতিভা লুকিয়ে রয়েছে এই তরুণের মধ্যে।

সেই প্রতিভাকে জাগিয়ে তোলার জন্য তাঁর চেষ্টার ত্রুটি থাকে না। লিউয়েন হকের অণুবীক্ষণের লেন্সের তলায় একদিন ধরা পড়ে খালি চোখে অদৃশ্য ক্ষুদে জানোয়ারের পাল। গ্রাফ সেই দিনই লিউয়েন হককে পরামর্শ দেন, কয়েকজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে বিষয়টা হাতে কলমে দেখিয়ে, তাদের সাক্ষরসহ সমস্ত বিবরণ লিখে রয়াল সোসাইটিতে পাঠিয়ে দেবার জন্য। পরামর্শটা গ্রহণ করলেন লিউয়েন হক।

হল্যান্ডের ১১ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে তাঁর আবিষ্কারের প্রমাণ দেখাবার জন্য নিজের বাড়িতে নিয়ে এলেন। এই এগারজনের মধ্যে ছিলেন দুজন পাদ্রী, একজন হিসাবরক্ষক, আর সকলেই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তারা অতি মাত্রায় বিস্মিত হয়েছিলেন, একটা প্লেটে অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুকে কিলবিল করতে দেখে। অণুবীক্ষণ যন্ত্রটিই এই অসাধ্যকর্ম সাধন করেছিল !

লিউয়েন হকই মানবসভ্যতার প্রথম ব্যক্তি যিনি অতিক্ষুদ্র প্রাণী জীবাণুদের প্রথম দেখেছিলেন। আর এই দেখার পরিণতিতেই জীববিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন এক শাখা জীবাণুবিজ্ঞানের উদ্ভব সম্ভব হয়েছিল। সেই এগারোজন গণ্যমান্য ব্যক্তিকে দিয়ে, জীবাণুদের দেখার ব্যাপারটা তাঁরা নিজেরা পরীক্ষা করে দেখেছেন এই মর্মে লিউয়েন হক একটি অঙ্গীকারপত্র সই করিয়ে নিলেন। এই অঙ্গীকারপত্রটির সঙ্গে নিজের বক্তব্য লিখে লিউয়েন হক বয়াল সোসাইটিতে পাঠিয়ে দিলেন ১৬৭৪ খ্রিঃ।

হল্যান্ডের এক অজ্ঞাতকুলশীল অশিক্ষিত মানুষ নিজের হাতে অণুবীক্ষণ তৈরি করে যা নিজে প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং অন্যদের দেখিয়েছিলেন, তা বলাবাহুল্য রয়াল সোসাইটির বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানীদের যারপরনাই বিস্মিত করেছিল। আর এভাবেই লিউয়েন হক বিশ্ববিজ্ঞানীদের সভায় নিজের আসনটি নির্দিষ্ট করে নিয়েছিলেন। পচা ডোবার জল, পিপের বদ্ধ জল, রাস্তার ড্রেনের জল, কোন কিছুই পর্যবেক্ষণ করতে বাদ দেননি লিউয়েন হক। সর্বত্রই তাঁর চোখে পড়েছে ক্ষুদে প্রাণীদের অস্তিত্ব।

তিনি তাদের নাম দিয়েছিলেন Little Beastries. পরে বিজ্ঞানীরা নাম পাল্টে রেখেছিলেন Microbes এই ক্ষুদে প্রাণীদের লেজ, শিং মাথা সবই আলাদাভাবে দেখে তিনি নানা ভাগে ভাগ করেন। লিখে রাখেন নোট বুকে। তাঁর মনে প্রশ্ন দেখা দেয়, খালি চোখে দেখা যায় না এই সব খুদে জানোয়ার কোথা থেকে আসে ? তার ধারণা হয় বৃষ্টির জলই হয়তো এই ক্ষুদ্র প্রাণের উৎস। ব্যাপারটা পরীক্ষা করবার জন্য বাগানে একটা ১৮ ইঞ্চি উঁচু টব বসালেন।

দুদিন পরেই এল প্রচন্ড বৃষ্টি। কানায় কানায় ভর্তি হয়ে গেল টব। এবারে একটা চিনামাটির ঢাকনা দিয়ে টবের মুখ ঢেকে দেন। টবের কয়েক ফোঁটা বৃষ্টির জল নিয়ে অণুবীক্ষণের তলায় নিয়ে পরীক্ষা করলেন ৷ খুদে জানোয়ারদের দেখা পাওয়া গেল না। দুদিন পরে সেই জল নিয়ে আবার পরীক্ষা করলেন। এবারে দেখা গেল দিব্যি জলের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে খুদে জানোয়ারেরা। তবে সংখ্যায় খুবই কম।

এইভাবে কয়েকদিন অন্তর অন্তর পরীক্ষা করে দেখলেন সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রমেই সংখ্যায় বৃদ্ধি পাচ্ছে জানোয়ারগুলো। লিউয়েন হক এদের নাম দেন অ্যানিমলিকিউলস। এদের আকার আকৃতিতেও যে পার্থক্য রয়েছে তা – ও তিনি লক্ষ করেন। এরপর নানা আকৃতি ও রঙের জীবাণুর সন্ধান আরম্ভ করলেন জায়গায় জায়গায় ৷ এমন কি দাঁতের ময়লা পরীক্ষা করেও এই জীবাণুদের দেখা পেয়েছেন তিনি।

যাই দেখেন, যা তার মনে প্রশ্ন তোলে, সবই নিজের ভাষায় লম্বা লম্বা চিঠিতে লিখে পাঠাতে লাগলেন বয়াল সোসাইটিতে। রয়াল সোসাইটিতে তার পাঠানো এই ধরনের পত্রের সংখ্যাছিল ৩৭৫। এছাড়া ফরাসী বিজ্ঞান আকাদেমিতেও ২৭ টি পত্র পাঠিয়েছিলেন লিউয়েন হক। বিজ্ঞানের শিক্ষা তো দূরের কথা, সাধারণ শিক্ষাও যিনি লাভ করেননি, তার এই সব পত্র সোসাইটির বিজ্ঞানীরা কিন্তু অবহেলা করতে পারেননি।

১৬৮০ খ্রিঃ জীবাণু আবিষ্কারের কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ লিউয়েন হক রয়াল সোসাইটির সদস্য নির্বাচিত হলেন। সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপের বিজ্ঞান মহলে ছড়িয়ে পড়ল তার নাম। কোন সুসজ্জিত গবেষণাগার নয়, সাধারণ একটি ঘরে, তার চেয়েও সাধারণ পরিবেশে থেকে নিজের অণুবীক্ষণটিকে সঙ্গী করে লিউয়েন হক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অসাধ্য সাধন করেছিলেন। এই কারণেই তাঁকে জীবাণু বিদ্যার জনক আখ্যা দেওয়া হয়।

লিউয়েন হক দীর্ঘদিন জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া নিয়ে কাজ করে অনেক নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার করেন। ঈষ্ট, প্রটোজেয়া ও স্পারমাটোজোয়া — এমনি সন্ধান তার কাছ থেকেই পাওয়া গিয়েছিল। নানা জাতের জীবাণুর অস্তিত্বের বিজ্ঞানের প্রথাগত শিক্ষাটুকু কেবল তার ছিল না। কিন্তু বিজ্ঞানীর চোখ ও মন দুইই তিনি লাভ করেছিলেন। এর বলেই তিনি তার গবেষণার কাজ করে যেতেন। পিঁপড়ে, কয়েক জাতের পতঙ্গ, শামুক, বানমাছ, ঝিনুক প্রভৃতির ওপরেও আণুবীক্ষণিক পরীক্ষার বিবরণ রেখে গেছেন লিউয়েন হক।

পিঁপড়ের জীবনে জন্ম বৃদ্ধি ও মৃত্যু এই তিন পর্যায়ের ধারাবাহিকতা নিয়ে পরীক্ষার পর তিনি জানিয়েছেন, আমরা যাকে পিঁপড়ের ডিম বলে ভাবি আসলে তা হল পিঁপড়ের পিউপা অর্থাৎ ডিম ও পূর্ণাঙ্গ পিঁপড়ের মাঝামাঝি স্তরের অবস্থা ৷ এই পিউপা অবস্থা থেকেই পিঁপড়ে পূর্ণাঙ্গ অবস্থা লাভের প্রেরণা লাভ করে। ডানাহীন একজাতের পতঙ্গ হল ফ্লী (Flee)। এদের শারীরিক গঠন ও জীবনচক্র নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেখে গেছেন তিনি। সেইকালে মানুষের ধারণা ছিল ধুলোবালি থেকেই প্রাণের উৎপত্তি হয়।

লিউয়েন হক সেই ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব অবর্তমান সেখান থেকে প্রাণের উদ্ভব একেবারেই অসম্ভব। জীবনই জীবন সৃষ্টির একমাত্র কারণ হতে পারে। কাদাবালির মধ্যে আমরা যে সব প্রাণী দেখি যেমন বাণমাছ, শামুক, ঝিনুক, ইত্যাদি, এদের জীবনের পেছনেও রয়েছে কোন অজ্ঞাত প্রাণকণার ইতিহাস। এইভাবে একের পর এক তথ্য সংগৃহীত হয়েছে আর তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে রয়াল সোসাইটিতে।

বিশ্ববিজ্ঞানের সেই পীঠস্থান থেকে ক্রমে সমগ্র ইউরোপ ও গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ল জীববিজ্ঞানী লিউয়েন হক – এর নাম। সেই সঙ্গে বিখ্যাত হয়ে গেল হল্যান্ডের সেই ক্ষুদে শহর ডেলফট। শহরের মানুষের কাছে যিনি ছিলেন নিতান্তই মূর্খ এক চাষাড়ে মানুষ, তাঁর কল্যাণেই অখ্যাত অজ্ঞাত শহরটি দেশ – বিদেশের গুণীজ্ঞানী মানুষদের কাছে বিজ্ঞানের এক তীর্থভূমিতে পরিণত হল।

১৮৬৯ খ্রিঃ রাশিয়ার জার পিটার দ্য গ্রেট স্বয়ং এই শহরে উপস্থিত হয়ে জীববিজ্ঞানের এই পুরোধা পুরুষকে সম্মান জানিয়েছেন। লিউয়েন হক তার নিজের তৈরি অণুবীক্ষণের লেন্সের তলায় সামান্য তরলের ফোঁটা রেখে সম্রাটকে দেখিয়েছেন জীবাণুদের বিচিত্র জগৎ। দীর্ঘদিনের অক্লান্ত গবেষণার ধকল সয়ে সয়ে শরীর ক্রমশই জীর্ণ হয়ে আসছিল। নিজের আবিষ্কৃত জগতের মধ্যে ডুবে থাকার আনন্দে আর সব কিছু ভুলে ছিলেন।

অ্যান্টনি ভন লিউয়েন হক এর মৃত্যু: Antonie van Leeuwenhoekl’s Death

তবে শেষ কর্তব্যটুকু কিন্তু জীবনের অন্তিম পর্বে উপস্থিত হয়েও ভোলেন নি। মৃত্যুর মাত্র কয়েকদিন আগে রয়াল সোসাইটিকে ধন্যবাদ সূচক চিঠি পাঠিয়ে জানিয়ে দিলেন, তার মত অতি নগণ্য একজন মানুষকে যেভাবে সম্মান জানিয়ে শীর্ষখ্যাতির অধিকারী করেছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। সোসাইটির হাতে চিঠি পৌঁছবার দিন কয়েক পরে ১৭২৩ খ্রিঃ ২৬ শে আগষ্ট নব্বই বছর বয়সে এই নীরব বিজ্ঞানসাধক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

Leave a Comment