কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কি? কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের গুরুত্ব আলোচনা করো।

কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কি? কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের গুরুত্ব আলোচনা করো।

or,

কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কি? কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে সোভিয়েত রাশিয়া, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও রাষ্ট্রসঙ্ঘের ভূমিকা কি ছিল?

or,

কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কি? কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট ঠান্ডা লড়াই কে কতদূর প্রভাবিত করেছিল?

or,

কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট কি? বিশ্ব রাজনীতিতে কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের প্রভাব কি ছিলো?

ভূমিকা-দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে পশ্চিম ভারতের দ্বীপপুঞ্জের সর্ববৃহৎ দ্বীপ রাষ্ট্র কিউবায় সোভিয়েত রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যে এক স্বল্পকালীন প্রবল দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছিল। যার ফলে সমগ্র বিশ্ব এক ভয়াবহ পারমানবিক যুদ্ধের সম্মুখীন হয়েছিল। এই ঘটনা কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট নামে পরিচিত।

কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পটভূমি

1960 এর দশকে কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পটভূমি ছিল নিম্নরূপ-

1)কিউবার স্বাধীনতা অর্জন ও প্লাট চুক্তি স্বাক্ষর-1898 খ্রিস্টাব্দে স্পেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জনের পর অর্থনৈতিক উন্নতির লক্ষ্যে কিউবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শরণাপন্ন হয় এবং 1903 খ্রিস্টাব্দে কিউবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্লাট চুক্তি স্বাক্ষর করে‌ এই চুক্তির দ্বারা কেউ বা কার্যত আর্থিক বিচারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশে পরিণত হয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার আভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার অধিকার পায়। কিউবার যাবতীয় উৎপাদনের ওপর মার্কিন পুঁজিপতিদের একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কিন শোষণে কিউবার সাধারণ মানুষের জীবনে চরম দারিদ্র্য ও দুর্দশা নেমে আসে।

2)বাতিস্তা সরকারের পতন ও ফিদেল কাস্ত্রোর ক্ষমতা দখল-1952 খ্রিস্টাব্দে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যালজেনিকো বাতিস্তা কিউবার রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।1954 খ্রিস্টাব্দে মার্কিন পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি কিউবা রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন। কিন্তু মার্কিন মদতপুষ্ট এই বাতিস্তা সরকারের প্রতি কিউবার জনগণের কোনো সমর্থন ছিল না। এই অবস্থায় কিউবার তৎকালীন ছাত্রনেতা ফিদেল কাস্ত্রো এক তীব্র সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলেন।1959 খ্রিস্টাব্দের 1লা জানুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তিনি বাতিস্তা সরকারের পতন ঘটিয়ে কিউবার রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে।

3)ফিদেল কাস্ত্রোর উন্নয়ন কর্মসূচি-কিউবার শাসন ক্ষমতা দখল করে ফিদেল কাস্ত্রো পুঁজিবাদী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সরে এসে সোভিয়েত রাশিয়া, চীন ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। এই উদ্দেশ্যে তিনি কিউবায় মার্কিন পুঁজিপতি গোষ্ঠীর পরিচালনাধীন চিনি কল, কৃষি খামার, ব্যাংক ও শিল্প কেন্দ্রগুলি জাতীয়করণ করেন। রাশিয়া ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র এক্ষেত্রে কিউবাকে প্রচুর আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দান করে। ফিদেল কাস্ত্রো নিজে প্রতিবেশী ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, হাইতি, নিকারাগুয়া, ভেনেজুয়েলা প্রভৃতি দেশের মার্কিন বিরোধী আন্দোলনকে উৎসাহিত করেন।1961 খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে তিনি কিউবার হাভানায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে কর্মীর সংখ্যা 11 জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানান।

4)আমেরিকার ফিদেল কাস্ত্র বিরোধী উদ্যোগ-ফিদেল কাস্ত্রোর মার্কিন বিরোধী কার্যকলাকে ক্ষুব্ধ আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র কিউবার সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে কাস্ত্রো সরকারের পতন ঘটানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করে। কিউবার কমিউনিস্ট বিরোধী দেশত্যাগী শরণার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তারা ফিদেল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে বিদ্রোহে মদদ দিতে থাকে। কিউবায় বিদ্রোহ সংগঠনের উদ্দেশ্যে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের গোপন সহযোগিতায় 1400 ভাড়াটে সৈন্য মার্কিন জাহাজে করে কিউবার পিগ উপসাগরে অবতরণ করে। বিদ্রোহীদের সাহায্য করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র B-26 যুদ্ধবিমান প্রস্তুত রাখে। কিন্তু দুদিনের মধ্যেই ফিদেল কাস্ত্রোর সেনাদল বিদ্রোহীদের পরাজিত করে মার্কিন চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেয়।

5)কিউবায় সোভিয়েত রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণ-কাস্ত্রো সরকারকে উচ্ছেদের প্রথম পরিকল্পনা ব্যর্থ হলেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে ছিল বদ্ধপরিকর। এই পরিস্থিতিতে নিজ নিরাপত্তার স্বার্থে ফিদেল কাস্ত্রো সোভিয়েত রাশিয়ার দিকে ঝুঁকতে বাধ্য হন।1960 এর দশকের শুরুতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে শত্রু রাষ্ট্র সোভিয়েত রাশিয়াকে নিশানা করে একাধিক পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণ করে। ‌‌‌‌ দেশের মাটিতে তখনো পর্যন্ত সোভিয়েত রাশিয়ার এ ধরনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ছিল না। কিন্তু 1962 খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র তার গুপ্তচর বিমান থেকে তোলা ছবি থেকে জানতে পারে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত থেকে মাত্র 150 কিলোমিটার দূরে কিউবায় সোভিয়েত রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণ করছে। তারা আশঙ্কা করে এখান থেকে নিক্ষেপ করা মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করবে। ‌ তারা আরো জানতে পারে ওই ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে কাস্ত্রো সরকার সোভিয়েত রাশিয়ার পাঠানো জেট বিমানের বিভিন্ন অংশ জুড়ে কিউবার বিমানবহর শক্তিশালী করার কাজ শুরু করেছে।

কিউবায় ক্ষেপনাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া

কিউবায় সোভিয়েত রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডিকে অত্যন্ত বিচলিত করে তোলে। 1962 খ্রিস্টাব্দের 22শে অক্টোবর এক বেতার ঘোষণার মাধ্যমে তিনি কিউবার চতুর্দিকে নৌ অবরোধ সৃষ্টি করেন এবং ঘোষণা করেন যে কিউবাগামী সব দেশের জাহাজ সম্পূর্ণ অনুসন্ধানের পর কিউবায় যেতে দেওয়া হবে। তিনি আরো জানান যে কিউবা থেকে কোন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলে আমেরিকা তার জন্য সোভিয়েত রাশিয়াকে দায়ী করবে এবং সোভিয়েত রাশিয়ার উপর পাল্টা আক্রমণ করবে।

কিউবায় ক্ষেপনাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণের পক্ষে সোভিয়েত রাশিয়ার প্রতিক্রিয়া

মার্কিন রাষ্ট্রপতি কেনেডির ঘোষণা অনুসারে সোভিয়েত রাশিয়াও মারাত্মক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।রুশ প্রধানমন্ত্রী ক্রশ্চেভও তার সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন। সেনা বিভাগের কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দিতে বলা হয় এবং বিদায়ী কর্মচারীদের সাময়িকভাবে অবসর গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়। সোভিয়েত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় কিউবাগামী কোন সোভিয়েত জাহাজ বাধাপ্রাপ্ত হলে যেন সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালানো হয়।

কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সংকট নিরসনে রাষ্ট্রসঙ্ঘের উদ্যোগ

কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণকে কেন্দ্র করে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সমগ্র বিশ্বকে এক ভয়াবহ পারমানবিক যুদ্ধের মুখোমুখি এনে দাঁড় করায়।কিউবা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়া-তিনপক্ষই বিষয়টি রাষ্ট্রসঙ্ঘে উত্থাপন করে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব ইউ থান্ট এবং পৃথিবীর বিভিন্ন জোট নিরপেক্ষ দেশগুলি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়ার কাছে শান্তি রক্ষার অনুরোধ জানায়। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় 1962 খ্রিষ্টাব্দের 27শে অক্টোবর রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রুশ্চেভ মার্কিন রাষ্ট্রপতি কেনেডিকে জানান যে, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র যদি কিউবা আক্রমণ না করার প্রতিশ্রুতি, কিউবা থেকে নৌঅবরোধ প্রত্যাহার করে এবং তুরস্ক থেকে মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র ঘাঁটি অপসারণ করে, তাহলে সোভিয়েত রাশিয়া কিউবা থেকে সমস্ত সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে নেবে। শেষ পর্যন্ত আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র কিউবা থেকে নৌঅবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় এবং সোভিয়েত রাশিয়া কিউবায় ক্ষেপনাস্ত্র ঘাঁটি নির্মাণ বন্ধ করে দেয়। এইভাবে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের শুভবুদ্ধির উদয় হলে কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের অবসান ঘটে।

কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সংকটের গুরুত্ব

কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের স্থায়িত্বকাল খুব অল্প হলেও বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্ব ছিল অপরিচিত।

1)মানবতার জয়-কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত রাশিয়া উভয় পক্ষই পারমাণবিক যুদ্ধের ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়। একটি অবিবেচনা প্রসূত সিদ্ধান্তের ফলে কত সহজেই পারমাণবিক যুক্ত শুরু হতে পারে, তার প্রমাণ দেয় কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট। শেষ পর্যন্ত এই সমস্যা সমাধানের দ্বারা হিংসার বিরুদ্ধে সংযম, শুভবুদ্ধি ও মানবতাবাদ জয়যুক্ত হয়‌। ‌পৃথিবী এক ভয়াবহ ধ্বংসযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা পায়।

2)যুদ্ধের উদ্যোগ হ্রাস-কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে সোভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ উদ্যোগ হ্রাস পেতে থাকে‌। সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী কুশ্চেভের সংযমী দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্বশান্তির প্রতি আগ্রহ কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট সমাধানে বিশেষ সহায়তা করেছিল বলে মার্কিন রাষ্ট্রপতি কেনেডি তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষই এরপর থেকে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানের পথ গ্রহণ করে।

3)হটলাইন যোগাযোগ স্থাপন-কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পরবর্তী পরোক্ষ প্রভাবে আমেরিকার হোয়াইট হাউস ও রাশিয়ার ক্রেমলিনের মধ্যে টেলিফোন যোগাযোগের জন্য হটলাইন যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়। এই যোগাযোগ ব্যবস্থা পরবর্তীকালে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে যেকোনো সংকটের সরাসরি সমাধানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয়।

4)পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিরোধ চুক্তি-কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের এক গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি হল পারমানবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিরোধ চুক্তি স্বাক্ষর। কিউবা সংকট সমাধানের পরের বছর 1963 খ্রিস্টাব্দে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত রাশিয়া ও ফ্রান্সের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উক্ত দেশগুলির পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার উপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়।

5)রাশিয়া-চীন সম্পর্কের তিক্ততা-কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের এরূপ সমাধানে চীন সোভিয়েত রাশিয়ার ওপর অসন্তুষ্ট হয়। চীনের নেতা মাও-সে-তুং বলেন সোভিয়েত রাশিয়া আমেরিকার ভয়ে ভীত হয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। তিনি মার্কিন শক্তিকে “কাগুজে বাঘ” বলেও ব্যঙ্গ করেন। প্রত্যুত্তরে কুশ্চেভ বলেন কাগুজে বাঘের আণবিক দাঁত আছে। উভয় রাষ্ট্র প্রধানের এই বাদানুবাদ এবং উভয় রাষ্ট্রের আদর্শগত বিরোধ দুই দেশের সম্পর্ককে তিক্ত করে।

6)কিউবায় সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা-ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের সমাধান কিউবায় সমাজতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে। ভৌগোলিক দিক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এত কাছাকাছি একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।কারণ কিউবাই হলো পশ্চিম গোলার্ধের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

Leave a Comment