স্যার জোসেফ জন থমসন জীবনী – Sir Joseph John Thomson Biography in Bengali

স্যার জোসেফ জন থমসন জীবনী: gksolve.in আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে Sir Joseph John Thomson Biography in Bengali. আপনারা যারা স্যার জোসেফ জন থমসন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী স্যার জোসেফ জন থমসন এর জীবনী টি পড়ুন ও জ্ঞানভাণ্ডার বৃদ্ধি করুন।

স্যার জোসেফ জন থমসন কে ছিলেন? Who is Sir Joseph John Thomson?

স্যার জোসেফ জন থমসন, ওএম, এফআর, সচরাচর জে. জে. থমসন নামে পরিচিত, একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী। ইলেকট্রন, আইসোটোপ এবং ভর বর্ণালীবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কারের জন্য তিনি বিখ্যাত। তিনি ১৯০৬ সালে তার এই আবিষ্কারগুলোর জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

স্যার জোসেফ জন থমসন জীবনী – Sir Joseph John Thomson Biography in Bengali

নামস্যার জোসেফ জন থমসন
জন্ম18 ডিসেম্বর 1856
পিতাজোসেফ জেমস থমসন
মাতাএমা সুইন্ডেলস
জন্মস্থানচিথাম হিল, ম্যানচেস্টার, ইংল্যান্ড
জাতীয়তাব্রিটিশ
পেশাপদার্থবিজ্ঞানী
মৃত্যু30 আগস্ট 1940 (বয়স 83)

স্যার জোসেফ জন থমসন এর জন্ম: Sir Joseph John Thomson’s Birthday

স্যার জোসেফ জন থমসন 18 ডিসেম্বর 1856 জন্মগ্রহণ করেন।

স্যার জোসেফ জন থমসন এর পিতামাতা ও জন্মস্থান: Sir Joseph John Thomson’s Parents And Birth Place

১৮৫৬ খ্রিঃ ১৮ ই ডিসেম্বর ইংলন্ডের ম্যানচেস্টার শহরের নিকটবর্তী চেথাম হিল গ্রামে জন্ম হয়েছিল বিজ্ঞানী স্যর টমসনের। ছোটবেলা থেকেই এক দুরস্ত পাঠাভ্যাস গড়ে উঠেছিল টমসনের। হাতের নাগালে যে বই পেতেন তাই নিয়েই বুঁদ হয়ে যেতেন। সে বই হোক গল্প কি উপন্যাস অথবা গণিত বা রসায়নের বিজ্ঞানের, টমসনের মনোযোগ আকর্ষণে কোন ত্রুটি ঘটত না। এই অভ্যাসটি তৈরি করে দিয়েছিলেন তার বাবা ও মা।

স্যার জোসেফ জন থমসন এর শিক্ষাজীবন: Sir Joseph John Thomson’s Educational Life

ছেলেকে তারা তাদের মনের মত করেই গড়ে তুলবার চেষ্টা করেছিলেন। স্কুলে বরাবরই ক্লাশ পরীক্ষায় প্রথম স্থানটি ছিল টমসনের দখলে। স্কুলের শেষ পরীক্ষাতেও কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হলেন। মাত্র চোদ্দ বছর বয়সে ম্যানচেষ্টারের বিখ্যাত ওয়েন্স কলেজে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাশে ভর্তি হন টমসন ৷

কিন্তু এমনই দুর্ভাগ্য যে আকস্মিকভাবে এমন ভাগ্যবিপর্যয় নেমে এলো তার জীবনে যে সব স্বপ্নসাধ লন্ডভন্ড হয়ে গেল। কলেজে ভর্তি হবার দুবছরের মধ্যেই মারা গেলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবা। পড়া ইস্তফা দিয়ে সংসারের প্রয়োজনে তাঁকে নেমে পড়তে হলো অর্থোপার্জনের চেষ্টায় ৷ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া এভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় টমসনের বিধবা মা খুবই মুষড়ে পড়েছিলেন।

পরিবারের হিতৈষী বন্ধুদের পরামর্শে তিনি ছেলের পড়াশোনা চালানোর জন্য বৃত্তির আবেদন জানিয়ে শহরের মেয়রকে চিঠি লিখলেন। এই ঘটনার অল্প কিছুদিন আগেই ইংরাজ বিজ্ঞানী ডালটনের স্মৃতি রক্ষার্থে ম্যানচেষ্টারের বাসিন্দারা একটি তহবিল গঠন করেছিলেন। মেধাবী ও দুঃস্থ ছাত্রদের পড়াশোনার জন্য সেই তহবিল থেকে সাহায্য করা হত। পরীক্ষার ফলাফলই ছিল টমসনের মেধার পরিচয়।

কাজেই তাঁর মায়ের আবেদন গৃহীত হতে বিলম্ব হল না। টমসন ডালটন স্মৃতিরক্ষা কমিটির বৃত্তির টাকা নিয়ে আবার ওয়েন্সের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়া শুরু করলেন। কৃতিত্বের সঙ্গেই ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করলেন টমসন ১৮৭৬ খ্রিঃ ! পাশ করলেন বটে মনে কিন্তু তৃপ্তি পেলেন না। তার বরাবরের ইচ্ছা ছিল গণিত ও পদার্থ বিদ্যায় উচ্চশিক্ষা নেবেন। কিন্তু বাবা মায়ের তাগিদেই মনের ইচ্ছাকে দমন করে ভর্তি হতে হয়েছিল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।

টমসন কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে গণিত ও পদার্থবিদ্যা নিয়ে এবারে পড়া শুরু করলেন। মেধার সুবাদে এখানেও বৃত্তি পেয়ে গেলেন। কেমব্রিজের ম্যাথেমেটিক্যাল ট্রাইপস হল বিখ্যাত একটি প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা। ১৮৮০ খ্রিঃ টমসন এই পরীক্ষায় দ্বিতীয় পুরস্কার লাভ করলেন। এই প্রতিযোগিতায় তিনি পদার্থ বিদ্যার এক জটিল সমস্যার সমাধান করেছিলেন নিজস্ব গাণিতিক মেধা প্রয়োগ করে।

এই সময়েই টমসন উপলব্ধি করেন, তত্ত্বীয় পদার্থবিদ্যায় সমীকরণগুলির গাণিতিক প্রমাণ সম্পূর্ণ মূল্যহীন। এজন্য দরকার পরীক্ষামূলক প্রমাণ। যাইহোক, মাত্র ২৫ বছর বয়সেই পরমাণুর ওপরে এক গবেষণামূলক প্রবন্ধ তৈরি করে ফেললেন। পরমাণু সম্পর্কে জন ডালটন থেকে আধুনিককাল পর্যন্ত যে ধারণা চলে আসছে তার মধ্যে অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে।

ডালটন বলেছিলেন বিশ্বের সমস্ত বস্তুই হল অতিক্ষুদ্র, অদৃশ্য ও অবিভাজ্য কণিকার সমাহার। তিনি এই কণিকার নাম দিয়েছিলেন অ্যাটম। তার মতে অ্যাটমের ধ্বংস নেই সৃষ্টিও নেই, এরা শাশ্বত। কোনও এক রাসায়নিক মৌলে একই ধরনের অ্যাটম বর্তমান। নানা রাসায়নিক মৌলে থাকে নানা ধরনের অ্যাটম। এই কারণেই বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক চরিত্রও বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। অ্যাটমের ধরন বদলের সঙ্গে সঙ্গে মৌলের রাসায়নিক গড়নেরও রদবদল ঘটে।

ডালটনের পরমাণুবাদের নানান ত্রুটি সনাক্ত করতে পেরেছিলেন সমকালীন বিখ্যাত রসায়নবিদ বার্জিলিয়াস। তার পরে আরও সংশোধন করে গে – লুকাস ও অ্যাভাগাড্রো নানা পরীক্ষা – নিরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুতত্ত্বকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। টমসন তাঁর গবেষণাপত্রে যে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তা হল, অ্যাটম অবিভাজ্য নয়, একে ভাগ করা সম্ভব। অ্যাটমকে টুকরো টুকরো করে বিশেষ বিশেষ বিদ্যুৎকণা সংগ্রহ করা সম্ভব।

এই প্রবন্ধের জন্য টমসন অ্যাডামস পুরস্কার লাভ করলেন। এই ঘটনার তিনবছর পরেই ১৮৮৪ খ্রিঃ ঘটল এক অভাবিত ঘটনা। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাভেন্ডিস ল্যাবরেটরির পরিচালক ছিলেন লর্ড র্যালি। এই সময়ে তিনি অকস্মাৎ পদত্যাগ করলেন। তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবার যোগ্য প্রার্থী হিসেবে টমসনের নাম সুপারিশ করলেন। সেই সময়ে টমসনের বয়স মাত্র ২৮ বছর।

স্যার জোসেফ জন থমসন এর কর্ম জীবন: Sir Joseph John Thomson’s Work Life

জগদ্বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের পদের জন্য এই বয়স নিতান্তই অকিঞ্চিৎকর। কিন্তু প্রতিষ্ঠানে অনেক ডাকসাইটে বর্ষীয়ান বিজ্ঞানী থাকা সত্ত্বেও লর্ড র্যালি টমসনের নামই সুপারিশ করলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ কিন্তু টমসনের সঙ্গে কথা বলে লর্ড র্যালির মতেই মত দিলেন। টমসন যথারীতি কর্মনিযুক্ত হলেন। সেই ১৮৮৪ খ্রিঃ টমসন বসেছিলেন লর্ড র্যালির চেয়ারে — স্বমহিমায় আসীন ছিলেন টানা পঁয়ত্রিশ বছর।

এই সময়ে কেবল আবিষ্কার ও সংগঠনের কাজেই যে টমসন ব্যস্ত ছিলেন তাই নয়, তিনি তৈরি করে তুলেছিলেন একদল ভুবনজয়ী ছাত্রছাত্রী। পদার্থবিজ্ঞানে এঁদের প্রত্যেকেই উত্তরকালে রেখেছিলেন স্মরণীয় অবদান। টমসনের এই ছাত্রদলের মধ্যে সবচেয়ে সেরা ছিলেন আর্নেস্ট রাদারফোর্ড। আর এঁদের আটজন মৌলিক গবেষণার জন্য পদার্থ বিদ্যা ও রসায়নে নোবেল পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিলেন।

কৃতিছাত্রদের কল্যাণে টমসন বিজ্ঞান শিক্ষক হিসেবে বিশ্বের বিজ্ঞানী মহলে তার জীবিতকালেই কিংবদন্তি হয়ে উঠেছিলেন। এই সময়েই তরুণ বিজ্ঞানী টমসনের সঙ্গে বিয়ে হয় প্রতিভাময়ী বিজ্ঞান – সাধিকা রোজ পাগেটের। স্মরণীয় যে এই বিজ্ঞানী দম্পতির একমাত্র সন্তান জর্জ পাগেট টমসন ১৯৩৭ খ্রিঃ পদার্থ বিদ্যায় নোবেল পুরস্কার লাভ করে পিতামাতার গৌরব আরও উজ্জ্বল করেছিলেন।

ক্যাথোড রশ্মির প্রকৃতি নির্ণয় করতে গিয়ে উনিশ শতকের শেষ দশকে পদার্থ বিজ্ঞানীরা দুই শিবিরে বিভক্ত হয়ে পড়েছিলেন। একটি ইংরাজ শিবির দ্বিতীয়টি জার্মান শিবির। ইংরাজবিজ্ঞানী স্যার উইলিয়াম ক্রুকস বলেছিলেন, ক্যাথোড রশ্মি প্রকৃতপক্ষে ঋণাত্মক বিদ্যুৎ – সম্পৃক্ত অতি সূক্ষ্ম কণিকা মাত্র। তার প্রমাণ হল ক্যাথোড রশ্মির গতিপথে চুম্বক ধরলেই রশ্মির মধ্যে কম্পন জেগে ওঠে।

জার্মান শিবিরের বিজ্ঞানীরা অবশ্য তা মানতে রাজি হলেন না। তারা বললেন ক্যাথোড রশ্মি হল এক ধরনের ইথার – তরঙ্গ। পদার্থ বিজ্ঞানী হাইনরিখ হাজ ১৮৮৭ খ্রিঃ যে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ অর্থাৎ রেডিও – ওয়েভ নির্ণয় করেছিলেন অনেকটা সেই রকম। জার্মান পদার্থবিদদের এই সিদ্ধান্ত অবশ্য অ্যালবার্ট আইনস্টাইন ও মাক্সপ্লাঙ্ক স্বীকার করেন নি।

কিছুদিন পরেই বিজ্ঞানী হার্জ প্রমাণ করে দিলেন যে ক্যাথোড রশ্মি কোন কণিকা নয় ৷ তা অনায়াসে পাতলা সোনার পাতকে ভেদ করে চলে যায়। কেবল তাই নয়, তড়িৎক্ষেত্রেও এই রশ্মির কোন চাঞ্চল্য ধরা পড়ল না — স্বচ্ছন্দে তড়িৎক্ষেত্র পার হয়ে যায়। খবরটা কেমব্রিজে পৌঁছলে টমসন বুঝতে পারলেন হার্ৎজের পরীক্ষায় কোথাও বড় রকমের গলদ রয়েছে।

নইলে যে রশ্মি চুম্বকক্ষেত্রে এমন চঞ্চল তা তড়িৎক্ষেত্রে অমন পঙ্গু হবে কেন ? তিনি হার্ৎজের পরীক্ষাটি নতুন করে করতে বসলেন অবিলম্বেই তিনি বুঝতে পারলেন ক্যাথোড রশ্মি হল ঋণ – বিদ্যুৎবাহী কণাপুঞ্জ। সেই কারণেই বিদ্যুৎক্ষেত্রে ক্যাথোড রশ্মির বিক্ষেপণ ঘটে। এরপর টমসন নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করেন ক্যাথোড রশ্মির গতিবেগ। তা হল — প্রতি সেকেন্ডে এক লক্ষ ষাট হাজার মাইল। আলোর গতিবেগ হল প্রতি সেকেন্ডে এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল।

দীর্ঘ দশ বছর বিদ্যুৎ মোক্ষণনল ও নানা চরিত্রের গ্যাস নিয়ে গবেষণার পর টমসন তিনটে সূত্র বার করেন, সেগুলো হল— (১) পরমাণুর গায়ে আঘাতের ফলে তার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে বিদ্যুৎকণার স্রোত। (২) এই বিদ্যুৎবাহী কণাদের প্রত্যেকেরই রয়েছে ভর এবং প্রত্যেক কণার মধ্যেই থাকে সম পরিমাণের বিদ্যুৎ ! সকল পরমাণুতেই এই ধরনের কণা বিদ্যমান। (৩) এই বিদ্যুৎবাহী কণাদের প্রত্যেকের ভর একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ভরের হাজার ভাগের এক ভাগ মাত্র।

টমসনের এই সূত্র তিনটির দ্বারাই বিজ্ঞানের নতুন যুগের গোড়াপত্তন হল। সূচনা হল ইলেকট্রনের যুগের। এরপর দীর্ঘ আটবছরের গবেষণার ফলে টমসন নানান চমকপ্রদ আবিষ্কারের দ্বারা পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে রীতিমত পালা বদল ঘটিয়ে দিলেন। এসব আবিষ্কারের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হল — থিওরি অব দ্য কনসটিটিউশান অব ম্যাটার অ্যান্ড ইলেকট্রিসিটি অর্থাৎ বিদ্যুৎ ও পদার্থের গঠনগত তত্ত্ব। আশ্চর্যের বিষয় যে টমসনের তত্ত্বের ওপর কাজ করে পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যেই গড়ে উঠল মহাশক্তিধর একদল পদার্থবিজ্ঞানী আর তারা প্রকাশ করলেন একশোরও বেশি মৌলিক গবেষণাপত্র।

স্যার জোসেফ জন থমসন এর পুরস্কার ও সম্মান: Sir Joseph John Thomson’s Awards And Honors

ইলেকট্রন তথা ক্যাথোড কণা আবিষ্কারের স্বীকৃতি এলো অনতিবিলম্বেই। ১৯০৬ খ্রিঃ টমসন পেলেন নোবেল পুরস্কার। ১৯০৮ খ্রিঃ পেলেন নাইটহুড। ইলেকট্রন আবিষ্কারের পর টমসন আত্মনিয়োগ করেন পরমাণু শক্তির উন্নতি প্রচেষ্টায়। তাঁর অবদানকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীকালে আবিষ্কৃত হয় মাস – স্পেকট্রোগ্রাফ বা ভর বর্ণালী যার সাহায্যে আধুনিককালে একই মৌলের বিভিন্ন সমস্থানিককে অনায়াসে পৃথক করা সম্ভব হচ্ছে।

স্যার জোসেফ জন থমসন এর মৃত্যু: Sir Joseph John Thomson’s Death

১৯৪০ খ্রিঃ বিশ্ববিজ্ঞানের স্মরণীয় মনীষী জে . জে . টমসন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মরদেহ সমাহিত করা হয় লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবেতে।

Leave a Comment