স্যামুয়েল হ্যানিম্যান জীবনী – Samuel Hahnemann Biography in Bengali

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান জীবনী: gksolve.in আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে Samuel Hahnemann Biography in Bengali. আপনারা যারা স্যামুয়েল হ্যানিম্যান সম্পর্কে জানতে আগ্রহী স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর জীবনী টি পড়ুন ও জ্ঞানভাণ্ডার বৃদ্ধি করুন।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান কে ছিলেন? Who is Samuel Hahnemann?

ক্রিস্টিয়ান ফ্রিডরিখ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান (১০ এপ্রিল ১৭৫৫ – ২ জুলাই ১৮৪৩) জার্মানির একজন বিখ্যাত চিকিৎসক ছিলেন, তিনি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার আবিষ্কারক।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান জীবনী – Samuel Hahnemann Biography in Bengali

নামস্যামুয়েল হ্যানিম্যান
জন্ম10 এপ্রিল 1755
পিতাক্রিশ্চিয়ান গটফ্রিড হ্যানিম্যান
মাতাজোহানা ক্রিশ্চিয়ানা
জন্মস্থানমেইসেন, স্যাক্সনি
জাতীয়তাজার্মান
পেশাচিকিৎসক
মৃত্যু2 জুলাই 1843 (বয়স 88)

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর জন্ম: Samuel Hahnemann’s Birthday

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান ১৭৫৫ সালের ১০ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর পিতামাতা ও জন্মস্থান: Samuel Hahnemann’s Parents And Birth Place

হ্যানিম্যান সম্পূর্ণ নাম স্যামুয়েল ক্রিস্টিয়ান ফ্রেডরিক হ্যানিম্যান। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির জনক রূপেই তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তার প্রবর্তিত চিকিৎসা পদ্ধতি আজও দেশে দেশে প্রচলিত। জার্মানির অন্তর্গত সাক্সলি প্রদেশে ১৭৫৫ খ্রিঃ ১০ ই এপ্রিল এক হতদরিদ্র পরিবারে ডাঃ হ্যানিম্যান জন্মগ্রহণ করেন।

তার ছেলেবেলা কেটেছে অশেষ দারিদ্র্যের মধ্যে। বাবা খ্রিস্টান গটফ্রেড হ্যানিম্যান ছিলেন এক গরীব শিল্পী। নুন আনতে পান্তা ফুরায় সংসারের এমনই অবস্থা। ডাঃ হ্যানিম্যান ছিলেন পিতার তৃতীয় সন্তান। সুখ বা স্বচ্ছলতা তার কাছে ছিল স্বপ্নের মতো। বেশির ভাগ দিনই নিম্যান পরিবারের সকলকে খিদে টাতে হতো মাত্র একটা রুটি সম্বল করে।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর শিক্ষাজীবন: Samuel Hahnemann’s Educational Life

অর্থের অভাবে ভাল স্কুলে পর্যন্ত ভর্তি হতে পারেননি তিনি। স্কুলে যাবার একমাত্র পোশাকটি ময়লা হলেও সাবান কেনার সামর্থ্য হত না। আলু দিয়ে পরিষ্কার করে নিতেন নিজের পোশাক। কিন্তু কঠোর দারিদ্র্য তাঁর প্রতিভাকে ঢেকে রাখতে পারেনি। একাগ্রতা, নিষ্ঠা আর ঐকান্তিক ইচ্ছার বলে তিনি প্রখর রৌদ্রের মত উদ্ভাসিত হয়েছেন। জীবিতকালেই স্যামুয়েল হ্যানিম্যান একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিলেন।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর প্রথম জীবন: Samuel Hahnemann’s Early Life

কোনক্রমে লিপজিগ বিদ্যালয়ের পড়াশুনা শেষ করেছিলেন। চিকিৎসা শাস্ত্রে অধ্যয়নের ইচ্ছা নিয়ে চলে এলেন ভিয়েনা। বাবার পাঠানো সামান্য অর্থই ছিল ভরসা। কিন্তু তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। ফলে বাধ্য হয়েই একসময় পড়াশুনো বন্ধ করে চাকরির সন্ধানে নেমে পড়লেন। দিনের পর দিন উদভ্রান্তের মত ঘুরলেন পথে পথে।

দৈবক্রমেই এইসময় একদিন তার সঙ্গে পরিচয় হল ট্রানসিলভানিয়ার গভর্নরের সঙ্গে। আলাপ করে গভর্নর ভদ্রলোক হ্যানিম্যানের প্রতিভার পরিচয় পেয়ে মুগ্ধ হলেন। তাকে পরিবারের গৃহচিকিৎসক রূপে নিয়োগ করলেন। ভাগ্যের চাকা এত দিনে ঘুরতে শুরু করল উল্টো মুখে।

ট্রানসিলভানিয়ার সেই গভর্নরের বাড়িতে ছিল একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার। বহু মূল্যবান পুস্তক সেই গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত ছিল। গভর্নর নিজেও ছিলেন শিক্ষানুরাগী। হ্যানিম্যানের আগ্রহ লক্ষ করে তিনি তাকে গ্রন্থাগারে পড়াশুনো করবার অনুমতি দিলেন। কেবল তাই নয় গ্রন্থাগারটি রক্ষণাবেক্ষণের সমস্ত দায়িত্বই তাকে অর্পণ করলেন।

বাল্যকাল থেকেই পড়াশুনোর আগ্রহ ছিল প্রবল, কিন্তু কখনো সুযোগ পাননি তেমন। হ্যানিম্যান এবার মনের আনন্দে বই – এর জগতে ডুব দিলেন। মেধা ছিল অসাধারণ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের চিন্তাশীল লেখকদের লেখা পড়বার আগ্রহে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হ্যানিম্যান পৃথিবীর প্রধান কয়েকটি ভাষা শিখে ফেললেন।

তারপর চিকিৎসাশাস্ত্র বিষয়ের ওপরে লেখা যত বই পেলেন পড়তে শুরু করলেন। কিছুকাল পরেই মেতে উঠলেন আনুষঙ্গিক আর একটি বিষয় নিয়ে, তা হল চিকিৎসাশাস্ত্র সম্বন্ধে গবেষণা। এবারে পথ খুঁজে পেয়ে গেলেন হ্যানিম্যান। স্থির করলেন তিনি নতুন ধরনের একটি চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করবেন। একদিন সুযোগ বুঝে মনের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করলেন গভর্নর সাহেবকে। বিদ্যানুরাগী সাহেবটি তাতে খুশি হলেন এবং হ্যানিম্যানকে উৎসাহিত করলেন।

নিজের উদ্যোগে তাঁর প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত ব্যবস্থাদিও করে দিলেন। চিকিৎসা ব্যবসায় এবং গবেষণা, এবারে দুটি কাজ একই সঙ্গে করে চললেন হ্যানিম্যান। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তার গবেষণার সাফল্যের কথা ছড়িয়ে পড়ল দেশে বিদেশে। তার গবেষণাবলীকে স্বাগত জানাল বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৭৭৯ খ্রিঃ এরলানগেল বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে এম.ডি উপাধি দিয়ে সম্মানিত করল।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর কর্ম জীবন: Samuel Hahnemann’s Work Life

১৮৮২ খ্রিঃ বিয়ে করলেন হ্যানিম্যান। সেই বছরই ট্রানসিলভানিয়া ছেড়ে উন্নততর গবেষণার জন্য চলে এলেন ড্রেসডেন শহরে। এখানে এসে পুরোপুরিভাবে গবেষণাতেই আত্মনিয়োগ করলেন। গোড়ার দিকে হ্যানিম্যানের গবেষণার বিষয় ছিল কতগুলি ভেষজ এবং আর্সেনিক বা সেঁকোবিষ। তার গবেষণার ফল পুস্তকাকারে প্রকাশ করলেন।

বিষয়ের অভিনবত্ব এবং গবেষণার ফলাফল দেশবিদেশের বিজ্ঞানীদের মুগ্ধ করল। ফলে হ্যানিম্যানের খ্যাতি আরও বৃদ্ধি পেল। দীর্ঘ গবেষণায় লিপ্ত রয়েছেন তিনি। ঘরসংসারের কথা ভুলে গিয়ে বনে জঙ্গলে ঘুরে বেড়ান আর সংগ্রহ করেন নানা জাতের ভেষজ। চলে সেগুলো নিয়ে প্রয়োগ আর পরীক্ষা – নিরীক্ষা। আহারনিদ্রার কথাও ভুলে গেলেন। অর্থের অভাবে সংসারে অনটন দেখা দিল। কোনদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই তার। প্রয়োজনীয় ভেষজের সন্ধানে তাঁকে দেশ ছেড়ে বিদেশেও ছুটতে হতো।

যে কোন ভেষজই প্রয়োগের আগে নিজে খেয়ে গুণাগুণ পরীক্ষা করে নিতেন। এভাবে পরীক্ষা করতে গিয়ে বহুবার সঙ্কটাপন্নও হতে হয়েছে। একদিন পরীক্ষা করতে গিয়ে সিঙ্কোনা গাছের ছাল খেলেন। সেই সময় চিকিৎসকরা সিঙ্কোনার ছাল ম্যালেরিয়া রোগের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতেন। সুস্থদেহে সেই ছাল খাওয়ার ফলে ম্যালেরিয়ার মত কাপুনি দিয়ে জ্বর এল তার। বিস্মিত হলেন হ্যানিম্যান।

ব্যাপারটা ভাল করে বুঝবার জন্য কয়েকজন বন্ধুর ওপরেও প্রয়োগ করলেন সিঙ্কোনার ছাল। দেখা গেল একই উপসর্গ নিয়ে তারাও জ্বরে পড়লেন। হ্যানিম্যান এবারে সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে কোন রোগের প্রতিষেধক ভেষজকে সুস্থ দেহে প্রয়োগ করলে সেই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাবে ! ১৮১১ খ্রিঃ পর্যন্ত একাদিক্রমে তিনি তার নতুন বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে গেছেন। অসংখ্য সুস্থ শরীরে জানা অজানা ভেষজ প্রয়োগ করেছেন আর তার ফলাফল নিয়ে পরীক্ষা – নিরীক্ষা করেছেন।

প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই ভেষজের প্রতিক্রিয়া ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করতেন হ্যানিম্যান। তার সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতার বিবরণ একসময় প্রকাশ করলেন গ্রন্থাকারে। নাম দিলেন ল অব সিমিলারস। এই গ্রন্থের মূল বক্তব্য ছিল, যে কোন শক্তিশালী ওষুধ মানব শরীরে রোগের সৃষ্টি করে। ওষুধ যত শক্তিশালী হবে রোগ লক্ষণও শরীরে তত বেশি হবে। দ্বিতীয়তঃ যে ওষুধ সুস্থদেহে রোগ উৎপন্ন করে ঠিক সেই ওষুধটির দ্বারাই সেই রোগ নিরাময় হয়।

রোগ নিরাময়ের জন্য অধিক মাত্রায় কোন ওষুধ ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না ৷ অতি সূক্ষ্মমাত্রায় ওষুধ ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় যেমন সম্ভব, অল্প মাত্রায় ওষুধ ব্যবহার করিয়ে রোগীকে সম্পূর্ণরূপে সারিয়ে তোলাও তেমনি সম্ভব।

হ্যানিম্যান তার উদ্ভাবিত চিকিৎসা পদ্ধতির নাম দিলেন হোমিওপ্যাথিক। এই চিকিৎসার নিয়মাবলীকে তিনটি ভাগে তিনি ভাগ করেছেন। তা হল—

(১) মানুষের শরীরে রোগলক্ষণ সৃষ্টিকারী সমমানের সূক্ষ্মমাত্রার ওষুধই রোগীকে নিরাময় করতে পারে

(২) ওষুধকে যত সূক্ষ্মভাবে ব্যবহার করা যাবে ততই তার শক্তি বেড়ে গিয়ে রোগ নিরাময়ে অধিকতর সহায়ক হবে।

(৩) আক্রমণকারী রোগগুলিকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। সেগুলো হল— (ক) নতুন রোগ বা অ্যাকিউট ডিজিজেস (খ) মহামারী বা এপিডেমিক ও (গ) পুরাতন রোগ বা ক্রনিক ডিজিস। এই নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির ওষুধ তৈরির মূল উপাদান হচ্ছে প্রকৃতি। প্রকৃতিজাত খনিজ দ্রব্য। উদ্ভিদরাজ্য, জীবজগৎ এবং রোগ – জীবাণু থেকে ওষুধ শক্তি তৈরি করা হয়ে থাকে।

হ্যানিম্যানের রোগ আরোগ্যের নিয়মাবলী বা ল অব কিওরস হল –

(১) রোগ আরোগ্যের লক্ষণ ভেতর থেকে বাইরে প্রকাশ পাবে

(২) রোগলক্ষণওপর থেকে নিচে আসবে

(৩) আরোগ্যের গতিপথ সবসময়ই আক্রমণের গতিপথের বিপরীত হবে।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর রচনা: Written by Samuel Hahnemann

হ্যানিম্যান নিজের উদ্ভাবিত চিকিৎসা পদ্ধতিকে জনসাধারণের মধ্যে প্রচারিত করবার উদ্দেশ্যে ছোট ছোট পুস্তিকা প্রণয়ন করলেন। নিজের ছাত্রদেরও নিয়োগ করলেন প্রচারকার্যে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে দুইটি গ্রন্থ প্রসিদ্ধ। সেগুলি হল অর্গানন অব মেডিসিন(১৮১০) ও মেটিরিয়ামেডিকা (১৮১১)। এই দুটি গ্রন্থেরই প্রণেতা হ্যানিম্যান।

তাঁর দ্বিতীয় গ্রন্থটি ল অব সিমিলারস এবং আরও কয়েকটি পুস্তিকার সম্মিলিত সঙ্কলন। হ্যানিম্যান নিজে যে চিকিৎসা পদ্ধতির MD ছিলেন তার নাম হলো অ্যালোপ্যাথি। এই নামটি তারই দেওয়া। অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসক হয়েও তিনি হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন। তিনিই প্রথম বলেন দেহের মনের জীবনীশক্তির (ইমিউনিটি) বিশৃঙ্খলাই ব্যাধি।

সামান্য স্থানীয় ব্যাধি বলে যা ভাবা হয় তা আসলে দেহমনের অভ্যন্তরীণ বৈকল্যরই বহিঃপ্রকাশ। অতএব চিকিৎসা যদি করতেই হয় তবে তা যেন রোগের মূল ধরে করা হয়। নিজের উদ্ভাবিত নতুন চিকিৎসা পদ্ধতিকে প্রচলিত করতে যথেষ্ট বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন হ্যানিম্যান। বিশেষতঃ অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসকগণ তাঁর পদ্ধতিকে মেনে নিতে পারেননি। তাঁরাই হয়ে উঠলেন প্রবল প্রতিপক্ষ।

হ্যানিম্যান কিন্তু দমলেন না। অভিজ্ঞতার আলোয় ধৈর্যের সঙ্গে সব প্রতিকূলতার মোকাবিলা করেছেন। দেশের নানা প্রান্তে ঘুরে তাঁর পদ্ধতির ব্যাখ্যা করতে যথেষ্ট শ্রম তাঁকে স্বীকার করতে হয়েছে। জনসাধারণকে উৎসাহিত করবার জন্য তিনি তরুণ শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত শিক্ষা এবং উপদেশ দান করে নানা স্থানে পাঠাতে লাগলেন।

নিজেও আরম্ভ করলেন ব্যাপকভাবে চিকিৎসা। তার ও তার ছাত্রদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে কিছুদিনের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। কিছু প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসকও এই পদ্ধতির ফলাফল পরীক্ষা করে উৎসাহিত হলেন এবং নিজেরাই আরম্ভ করলেন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। হ্যানিম্যানের জীবদ্দশাতেই পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশ সাদরে গ্রহণ করল তার প্রবর্তিত চিকিৎসা পদ্ধতিকে।

নানা দেশে গড়ে উঠেছিল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসাকেন্দ্র ৷ সেসব কেন্দ্র হ্যানিম্যান স্বয়ং পরিদর্শন করেছেন, দান করেছেন প্রয়োজনীয় উপদেশ নির্দেশ। বৃদ্ধবয়সেও একাজের জন্য বিভিন্ন দেশের আমন্ত্রণে তাঁকে ছোটাছুটি করতে হয়েছে। কথায় আছে, প্রদীপের নিচেই থাকে অন্ধকার। হ্যানিম্যানের পদ্ধতি পৃথিবীর নানা প্রান্তে জনপ্রিয় হলেও তাঁর স্বদেশে তেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারেনি। নানান প্রতিকূলতার বাধা অতিক্রম করে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জনপ্রিয়তা আজ পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ক্রমবর্ধমান।

স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর মৃত্যু: Samuel Hahnemann’s Death

জীবনব্যাপী কঠোর পরিশ্রমের পর ১৮৪৩ খ্রিঃ ২ রা জুলাই ৮৮ বছর বয়সে মহামতি হ্যানিম্যান ফ্রান্সে মৃত্যুবরণ করেন।

Leave a Comment